মনসা পূজা ২০২২ মন্ত্র,পদ্ধতি,তারিখ || Manasha Puja 2022

Rate this post

বাংলা মাসের আষাঢ়, শ্রাবণ এবং ভাদ্রপদের বিভিন্ন দিনে, মনসা পূজা, যা নাগ পঞ্চমী নামেও পরিচিত এবং সর্প দেবীর প্রতি উত্সর্গীকৃত, বেশিরভাগই বাংলা, ঝাড়খণ্ড, আসাম এবং উড়িষ্যার কিছু অংশে (জুন – সেপ্টেম্বর) পালন করা হয়। 2022 সালে মনসা দেবী পূজার তারিখগুলি হল 18 জুন, 4 জুলাই, 2 আগস্ট এবং 17 আগস্ট। সর্প দেবী মনসা দেবীকে ভগবান শিবের সন্তান বলে মনে করা হয়। শোনা যায় মা মনসার জন্ম হয়েছিল নাকি পদ্মপাতায়, তাই দেবীর অপর নাম পদ্মাবতী।

মনসা দেবী পূজার তারিখ 2022 মঙ্গলবার, 17 আগস্ট , আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসে প্রতিটি পাক্ষিকের পঞ্চমী দিনে বা পঞ্চমীর দিনে পূজার অনুষ্ঠান করা হয়। কিছু কিছু অঞ্চলে, এক মাসব্যাপী পূজা ও আচার-অনুষ্ঠান চলাকালীন মনসা দেবীকে বেশ কিছু আচার-অনুষ্ঠান করে প্রসন্ন করা হয়।

মনসা দেবী পূজা
মনসা পূজা 2022

মনসা উর্বরতা এবং সাপের দেবী। তিনি আকাঙ্ক্ষা প্রদান করেন এবং একটি সাপে কামড়ানো থেকে সুরক্ষা প্রদান করেন। তিনি প্রাথমিকভাবে পূর্ব ভারতে শ্রদ্ধেয় এবং স্থল ও উচ্চতর জ্ঞানের সাথে যুক্ত। উপরন্তু, যে ব্যক্তিরা সন্তান না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তারা অকালে জন্ম দেওয়ার জন্য তাকে সমর্থন করেন। এই সময়ে বিশেষ মনসা দেবীর মূর্তি তৈরি করে পূজা করা হয়।

মনসা দেবী পূজার গল্প

কিংবদন্তি অনুসারে, মনসা ভগবান শিবকে তাকে প্যান্থিয়নে অন্তর্ভুক্ত করতে বলেছিলেন যাতে মানবতা তাকে পূজা করতে পারে। শিব উত্তর দিয়েছিলেন যে তার ইচ্ছা পূরণ হবে যদি অঙ্গ রাজ্যের একজন ব্যবসায়ী চাঁদ তার পূজা করতে রাজি হন।

মনসা দেবীর প্রতি তার সামান্য শ্রদ্ধা ছিল বলে চাঁদ প্রচণ্ড কষ্ট সহ্য করেছিলেন। তিনি দেউলিয়া হওয়ার জন্য মামলা করেছিলেন এবং তার সমস্ত ছেলেকে সাপের কামড়ে হত্যা করা হয়েছিল। বিয়ের রাতে, একটি সাপের কামড় কনিষ্ঠ পুত্রের জীবন দাবি করে। যুবতী বিধবা তার প্রয়াত স্বামীর সাথে স্বর্গে ভ্রমণ করেন, যেখানে তিনি পরিবারের সমস্ত বিপর্যয়ের কারণ জানতে পারেন। যখন সে ফিরে আসে, সে তার শ্বশুরকে মনসা দেবীকে পূজা করতে রাজি করায়।

সর্প দেবীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করার পর, ব্যবসায়ী তার পূর্বের জাঁকজমক পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হন এবং মনে করা হয় যে মনসা দেবীর পূজা সেদিন শুরু হয়েছিল।

মনসা পূজার গুরুত্ব

মনসা দেবী পূজা
মনসা দেবী পূজা

মনসা দেবীকে খুশি করার জন্য কিছু লোক তাদের শরীরে বিদ্ধ করে। সেই সময়ের আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল মারাত্মক সাপের প্রদর্শন। যাদের সন্তান নেই তাদেরও দেবতাকে খুশি করার কথা বলা হয়। এই সময়ে বিশেষ মনসা দেবী মূর্তি তৈরি ও পূজা করা হয়। মনসা দেবীর গল্প বলার নাটকে (থিয়েটার বা নাটক) জীবন্ত সাপের ব্যবহার আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক।

মনসা পূজার উপকরণ

সিন্দুর, ঘট, মনসাগাছ বা তাহার ডাল, পূজার শাটী ১ টি,  মধুপর্কের বাটী ১ টি, মধু, ঘৃত, দধি, তিল, হরিতকী, পুষ্প, দূৰ্ব্বা, তুলসী, বিল্বপত্র, ধূপ, দীপ, বড় নৈবেদ্য ১ টি, অষ্টনাগের নৈবেদ্য ৮ টি, কুচা নৈবেদ্য ১ টি, শীতলার শাটী ১ টি, আসনাঙ্গুরীয়ক ১ টি, মধুপর্ক ১টি, প্রতিমা হইলে গদর্ভের ধুতি ১ টি, আসনাঙ্গুরীয়ক ২ টি,  মধুপর্ক বাটী ২ টি,  দধি, মধু, ঘৃত, নথ, লোহা, শাঁখা, সিন্দুরচুবড়ি, রচনা, পুষ্পমাল্য, চন্দ্রমাল্য, হোম করিলে বালি, কাষ্ঠ, সমিধ, হোমের ঘৃত ১ পোয়া, বলি-দ্রব্য, আরতির দ্রব্য, পূর্ণপাত্র, দক্ষিণা।

আরও পড়ুন-

দেবী মনসার মন্ত্র

দেবীমম্বামহীনাং শশধরবদনাং চারুকান্তিং বদন্যাম্ ।
হংসারূঢ়মুদারামসুললিতবসনাং সর্বদাং সর্বদৈব ।।
স্মেরাস্যাং মণ্ডিতাঙ্গীং কনকমণিগণৈমুক্তয়া চ ।
প্ৰবালৈবন্দেহ হং সাষ্টনাগামুরুকু চগলাং ভোগিনীং কামরূপাম্ ।।

সরলার্থঃ- সর্প দিগের মাতা, চন্দ্র বদনা, সুন্দর কান্তি বিশিষ্টা, বদন্যা, হংস বাহিনী, উদার স্বভাবা, লোহিত বসনা, সর্বদা সর্ব অভিষ্ট প্রদায়িনী, সহাস্য বদনা, কণকমনি মুক্তা প্রবালাদির অলঙ্কার ধারিনী, অষ্ট নাগ পরিবৃতা, উন্নত কুচ যুগল সম্পন্না, সর্পিণী, ইচ্ছা মাত্র রূপধারিনী দেবীকে বন্দনা করি ।

এই পুজো করলে কী কী ফল পাওয়া যায়?

মা মনসা হলেন সর্পের দেবী। মায়ের পূজা করে যেমন সর্প ভয় দূর হয়, তেমনি পাওয়া যায় মায়ের অপার করুণা।

মা মনসার পুজো কেন করা হয় এবং পুজো করার নিয়ম?

বৃহস্পতিবার গঙ্গা পূজার সঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে মনসা পূজা। চলুন জেনে নেওয়া যাক কেন বিখ্যাত এই পুজো গ্রাম বাংলায়।

মনসা দেবী পূজা
মনসা দেবী পূজা

গ্রাম বাংলার প্রতিটি জায়গায় মা মনসার মন্দির দেখতে পাওয়া যায়। আগেকার দিনে বর্ষাকালে প্রচুর সাপের প্রাদুর্ভাব ছিল, প্রচুর মানুষ সাপের কামড়ে মারা যেতেন। সেই সময় থেকে মা মনসার পূজো বহুল প্রচলিত হয় গ্রামবাংলায়।

মনে করা হয় মা মনসা তুষ্ট হলে মানুষ সর্প ভয় থেকে বিপদমুক্ত থাকবে,তাই এদিন মেয়েরা ব্রত করে উপবাস থেকে  সাপের গর্তে দুধ ঢালেন।

মনসা দেবী পুজর প্রচলন কথা

সৃষ্টির আদিকাল থেকে সর্প বিষধর প্রাণী । তার এক মোক্ষম ছোবলেই প্রাণীর প্রাণান্ত । এই অধিভৌতিক সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এককালে বিপন্ন মানুষ সর্পের অধিষ্ঠাত্রী এক দেবীর কল্পনা করেছিলেন, যিনি বঙ্গদেশে কালক্রমে মনসা নামে পরিচিত।

তবে সুপ্রাচীন কাল থেকে ভারতের সর্প পূজা প্রচলিত থাকলেও সর্প – সংস্কৃতির সূচনা ঘটেছিল আজ থেকে প্রায় ছয় হাজার বছর আগে প্রাচীন মিশরে। পিরামিডের মধ্যে ও অন্যত্র মিশরের রাজা অর্থাৎ ফারাওদের ব্যবহৃত যেসব রাজকীয় সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে তার ভিতর তাঁদের যে শিরস্ত্রাণ মিলেছে, তাতে সর্পচিহ্নলাঞ্চিত মুকুটও রয়েছে । উদ্যত ফনা সর্পের এই প্রতিকৃতি মুকুটে শোভিত হওয়ার ফলে ধারণা হয় যে মিশরে সর্প- সংস্কৃতি রাজকীয় পেয়েছিল ।

এছাড়া ‘মেডুসা’ নামে যে মিশরীয় দেবীর উল্লেখ পাওয়া যায় তাঁর মূর্তিটি বিস্ময়কর ভাবে সর্প শোভিত। তিনি গলায়, হাতে, বাজুতে, কোমরে, পায়ে যেসব অলংকার ধারণ করে আছেন সেগুলি এক একটি সাপের আকৃতি।

অন্যদিকে কেউ কেউ মনে করেন সর্পকে দেবতা হিসেবে পূজা করার রীতি প্রথম চালু হয়েছিল ইউফ্রেটিস নদী তীরবর্তী তুরানি জাতির মধ্যে। তারপর এই জাতির শাখা বিভিন্ন দেশে উপনিবিষ্ট হলে সেইসব অঞ্চলে সর্প পূজা বিস্তৃত হয়।

দেবী মনসার জন্ম কথা

মনসা দেবী পূজা
মনসা দেবী পূজা

আবার দেবী মনসার জন্ম সংক্রান্ত অনেক বিতর্ক রয়েছে। কোন কোন কবি বলেছেন মনসার জন্ম পদ্মবনে নয় , কেতকী অর্থাৎ কেয়াবনে। এজন্য তার নাম ‘কেতুকা’। আবার কেউ বলেছেন মনসা অযোনিসম্ভবা, শিববীর্যে পাতালে তাঁর জন্ম। এই জন্য অনেকেই তাঁকে ‘পাতাল-কুমারী’ বলে উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ তাঁর এই জন্মের ঘটনাটি আকস্মিক। পিতা শিবের চিত্তচাঞ্চল্যই তার মূল কারণ । সৃষ্টিকালীন এই চাঞ্চল্য , উদ্বেগ জাতকের জীবনে এনে দিয়েছে অস্থিরতা , শঙ্কা । তিনি দেব সমাজে সেভাবে গৃহীত হয়নি । বিমাতা চন্ডী তার অলৌকিক জন্ম নিয়ে তীব্র বিদ্রুপ করেছেন, মেনে নেননি হরের সংসারে সুতরাং প্রীতিশূন্য, স্নেহশূন্য একটা জীবন যাপন করতে বাধ্য হয়েছে মনসা । তাঁর ফলে তার মন ক্রমশ কুটিল ,কঠোর, প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে উঠেছে । অথচ মনসার মধ্যেও যে কোমল স্বভাব ছিল ছিল , স্বামী-সন্তান-সংসারের ভরপুর আকাঙ্ক্ষা, স্নেহের বুভুক্ষা- তা বিভিন্ন কাহিনীতে তার যথেষ্ট প্রমাণ আছে।

দেবী মনসার জীবনের দুটি দিক

এই দেবী মনসার জীবনের দুটি দিক প্রবল হয়ে উঠেছে : একটি হলো আপন দুর্ভাগ্যের বিরুদ্ধে লড়াই এবং অপরটি হলো আত্মপ্রতিষ্ঠার উদগ্র বাসনা । এভাবে দেখতে গেলে এই দুটি বিষয়ই পরস্পর সংযুক্ত । তবে এর প্রথমটি ঘটে স্বর্গলোকে, দ্বিতীয়টি ঘটে মর্ত্যে ।


একদিকে মনসা এবং চন্ডী আবার অন্যদিকে চাঁদ সদাগর এবং মনসার দ্বন্দ্বের কাহিনী লোকমুখে বহুকাল থেকে প্রচলিত। চণ্ডীর ভয়ে মনসাকে শিব ফুলের সাজিতে ভরে নিয়ে বাড়িতে আসেন । অলৌকিক উপায়ে মনসা বোধ হয় পত্রতুল্য হালকা হয়ে গিয়েছিল। শিব চন্ডিকে সাজিতে হাত দিতে বারণ করে চলে গেলেন ইন্দ্র-সদন। চন্ডী এসে ফুল সরিয়ে মনসাকে দেখে হতবাক চন্ডী। স্বামীর চরিত্র জানতেন শিব ভোগের নিমিত্ত একে এনেছে তা বিবেচনা করে মনসাকে সম্ভাব্য সতীন ভেবে দ্বন্দ্ব শুরু করলেন । ফলস্বরূপ চণ্ডীর হাত দিয়েই ঘটল – জ্বলন্ত অঙ্গারে মনসার বামচক্ষু কানা হয়ে যায়।

মনসা দেবী
মনসা দেবী পূজা

স্বর্গলোকে পাওয়া কষ্ট- যন্ত্রণা ,অবজ্ঞা -অপমানের যেন তিনি উসুল করতে চেয়েছেন মর্ত্যলোকে।রাখালদের কাহিনী হাসান- হোসেন পালা ও চাঁদ বণিকের উপাখ্যানে এই প্রতিশোধ স্পৃহায় উন্মত্ত দেবীকেই দেখি আমরা যিনি ছলে-বলে-কৌশলে জয়ী হতে চেয়েছেন।

নিজের পূজা প্রচারে যিনি একেবারেই নির্বিবেক ।হিন্দু লোককথা অনুযায়ী, চাঁদ সদাগর ছিলেন শিবের ভক্ত। মনসা চাঁদের পূজা কামনা করলে শিবভক্ত চাঁদ তাকে প্রত্যাখ্যান করেন। কাহিনীর শেষে দেখা যায় চাঁদ সদাগর মনসার পূজা করতে বাধ্য হয়। সেই দিন থেকে আজ পর্যন্ত শ্রাবণ মাসের শেষ দিনে হিন্দুধর্মাবলম্বীদের প্রতিটি ঘরে ঘরে মনসা দেবীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়।

এবছর ৩১ শ্রাবণ পড়েছে মনসা পূজা, অর্থাৎ ১৭ আগস্ট বুধবার হবে দেবী মনসার পূজা।

মনসা দেবী পূজার তারিখ 2022?

মনসা দেবী পূজার তারিখ 2022 মঙ্গলবার, 17 আগস্ট

মনসা দেবী পূজার প্রচলিত গল্প?

মনসা ভগবান শিবকে তাকে প্যান্থিয়নে অন্তর্ভুক্ত করতে বলেছিলেন যাতে মানবতা তাকে পূজা করতে পারে। শিব উত্তর দিয়েছিলেন যে তার ইচ্ছা পূরণ হবে যদি অঙ্গ রাজ্যের একজন ব্যবসায়ী চাঁদ তার পূজা করতে রাজি হন।

মনসা দেবী পূজার গুরুত্ব?

মনসা দেবীকে খুশি করার জন্য কিছু লোক তাদের শরীরে বিদ্ধ করে। সেই সময়ের আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল মারাত্মক সাপের প্রদর্শন। যাদের সন্তান নেই তাদেরও দেবতাকে খুশি করার কথা বলা হয়। এই সময়ে বিশেষ মনসা দেবী মূর্তি তৈরি ও পূজা করা হয়। মনসা দেবীর গল্প বলার নাটকে (থিয়েটার বা নাটক) জীবন্ত সাপের ব্যবহার আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক।

দেবী মনসার মন্ত্র?

দেবীমম্বামহীনাং শশধরবদনাং চারুকান্তিং বদন্যাম্ ।
হংসারূঢ়মুদারামসুললিতবসনাং সর্বদাং সর্বদৈব ।।
স্মেরাস্যাং মণ্ডিতাঙ্গীং কনকমণিগণৈমুক্তয়া চ ।
প্ৰবালৈবন্দেহ হং সাষ্টনাগামুরুকু চগলাং ভোগিনীং কামরূপাম্ ।।

এই পুজো করলে কী কী ফল পাওয়া যায়?

মা মনসা হলেন সর্পের দেবী। মায়ের পূজা করে যেমন সর্প ভয় দূর হয়, তেমনি পাওয়া যায় মায়ের অপার করুণা।

মনসা পূজার উপকরণ?

সিন্দুর, ঘট, মনসাগাছ বা তাহার ডাল, পূজার শাটী ১ টি,  মধুপর্কের বাটী ১ টি, মধু, ঘৃত, দধি, তিল, হরিতকী, পুষ্প, দূৰ্ব্বা, তুলসী, বিল্বপত্র, ধূপ, দীপ, বড় নৈবেদ্য ১ টি, অষ্টনাগের নৈবেদ্য ৮ টি, কুচা নৈবেদ্য ১ টি, শীতলার শাটী ১ টি, আসনাঙ্গুরীয়ক ১ টি, মধুপর্ক ১টি, প্রতিমা হইলে গদর্ভের ধুতি ১ টি, আসনাঙ্গুরীয়ক ২ টি,  মধুপর্ক বাটী ২ টি,  দধি, মধু, ঘৃত, নথ, লোহা, শাঁখা, সিন্দুরচুবড়ি, রচনা, পুষ্পমাল্য, চন্দ্রমাল্য, হোম করিলে বালি, কাষ্ঠ, সমিধ, হোমের ঘৃত ১ পোয়া, বলি-দ্রব্য, আরতির দ্রব্য, পূর্ণপাত্র, দক্ষিণা।

মনসা দেবীর কিছু ছবি

                                 ( উপরোক্ত তথ্যে এটা কখনই দাবি করা হচ্ছে না যে এটা পূর্ণত সত্য এবং সঠিক কিংবা ভুল ৷ এই তথ্য ধর্মীয় আস্থা ও লৌকিক মান্যতার উপর আধারিত )।

Source

আমাদের এই ছোট প্রতিবেদন কেমন লাগলো আপনাদের? আশা করি ভালো লেগেছে? যদি ভালো লেগে থাকে অবশ্যই আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাবেন

এবং যদি আপনাদের কোনো সাজেশন থাকে অথবা কোনো ভালো স্ট্যাটাস বা অয়েবসাইটে লিস্ট করাতে চান সেটিও আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না,আমাদের ওয়েবসাইট ফিউচার বাংলা ডট ইন এ ভিসিট করবার জন্য ধন্যবাদ,ভালো থাকবেন।

আমি , চঞ্চল হালদার আমি বিগত ২ বছর ধরে ব্লগিং করছি এবং আমি নতুন প্রযুক্তি বা টেকনলজি এর সম্বন্ধে জানতে পছন্দ করি। বর্তমানে আমি আমার নিজের ওয়েবসাইট futurebangla.in এর জন্য আর্টিকেল লিখছি।

1 thought on “মনসা পূজা ২০২২ মন্ত্র,পদ্ধতি,তারিখ || Manasha Puja 2022”

Leave a Comment